শাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার প্রচলিত সীমানার প্রায় ৫০০ মিটার ভেতরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার নতুন সীমানা ফলক নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
সীমানা লঙ্ঘনের অভিযোগ: দীর্ঘদিনের প্রচলিত সীমানা এবং পূর্বে স্থাপিত সীমানা ফলক উপেক্ষা করে নতুন ফলক নির্মাণ করা হচ্ছে।
নতুন সীমানা কার্যকর হলে করতোয়া সেতু, একটি শ্মশানঘাট, কয়েকটি রেস্টুরেন্ট এবং বেশ কিছু বসতবাড়ি ঘোড়াঘাট থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার সীমানার মধ্যে চলে যাবে।
সরকারি কোনো প্রজ্ঞাপন বা গেজেট ছাড়াই কীভাবে সীমানা পরিবর্তন করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। এর ফলে জমির মালিকানা, রাজস্ব আদায় এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
পূর্বের সীমানা ফলককে মাথায় রেখে প্রশাসনিক সীমানাসংক্রান্ত নথি, মৌজা ম্যাপ ও ভূমি রেকর্ড পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজন হলে সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হবে।
আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক, ঘোড়াঘাট।
ঘোড়াঘাট ইউএনও: রুবানা তানজিন জানান, পলাশবাড়ী উপজেলার ইউএনও-র সঙ্গে কথা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়ে সুষ্ঠু সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
পলাশবাড়ী ইউএনও: আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, স্থানীয়দের আপত্তির বিষয়টি তারা অবগত আছেন। অর্থের অপচয় রোধে সেতুর উভয়পাশে দুই উপজেলার ‘স্বাগতম’ বার্তা লেখার একটি প্রস্তাব থাকলেও, স্থানীয়দের আপত্তি থাকলে তা বাস্তবায়ন করা হবে না।
সীমানা নিয়ে এই বিরোধ ভবিষ্যতে বড় ধরনের জটিলতা এড়াতে দুই উপজেলার প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মোঃ শাহারুল ইসলাম
ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
তারিখঃ০৯-০৯-২৬


