সাহারুল ইসলাম ঘোড়াঘাট দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কিছু মানুষ থাকেন, যাদের পদ পদবী দিয়ে নয়—তাদের কাজ আর মানবিকতা দিয়েই চেনা যায়।
ঠিক তেমনই একজন মানুষ আমাদের ঘোড়াঘাটের গর্ব, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট—আব্দুল আল মামুন কাওসার শেখ।
ভূমি অফিস মানেই যেখানে অনিয়ম, জটিলতা আর ভোগান্তির কথা মানুষ আগে ভাবে—সেখানে দাঁড়িয়ে মহোদয়ের মতো একজন মানুষ নিজের সততা, নীতি আর আন্তরিকতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন, চাইলে স্বচ্ছতাও সম্ভব। হয়তো পুরো সিস্টেম একা বদলানো কারো পক্ষেই সম্ভব না, বিশেষ করে যখন নিচের স্তরের কিছু অনিয়ম এখনও রয়ে গেছে। তবুও মহোদয় তার অবস্থান থেকে কখনো আপস করেননি।
প্রায় ২ বছর ধরে ঘোড়াঘাটবাসীকে যে সেবা তিনি দিয়েছেন, তা শুধু দায়িত্ব পালন নয়—এটা ছিল মানুষের প্রতি এক ধরনের দায়বদ্ধতা, ভালোবাসা। তার সুন্দর ব্যবহার, বিনয় আর সততা আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে মুগ্ধ করেছে বারবার।
আমি নিজে একজন সাংবাদিক এবং ঘোড়াঘাট থানা প্রেসক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মহোদয়ের কাছ থেকে যে সহযোগিতা, আন্তরিকতা আর স্বচ্ছতা পেয়েছি—তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
মহোদয়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণেই (ভূমি) অফিস মাত্র ১১৭০ টাকার আবেদন ফি-জমা দিয়ে জনগণকে নামজারি (খারিজ) সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে—যা একসময় অনেকের কাছেই ছিল কষ্টকর আর ব্যয়বহুল।
এসিল্যান্ড মহোদয় হয়তো একদিন এখান থেকে চলে যাবেন, এটা বাস্তবতা। কিন্তু তার সততা, তার কাজের ধারা, আর মানুষের জন্য তার ভালোবাসা—এসব কিছুই ঘোড়াঘাটবাসীর হৃদয়ে থেকে যাবে আজীবন।


