আবুল বাসার মিলন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের আলোচিত নিখোঁজ কিশোরীকে কে ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধার করেছে নাচোল থানা পুলিশ। নিখোঁজ কিশোরী মৌ (১৪) উপজেলার ফতেপুর দিয়ার খোলসী এলাকার বাসিন্দা। নাচোল থানার এসআই জিয়াউর রহমান এর নেতৃত্বে নাচোল থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানার ভালকি এলাকা হতে গত মঙ্গলবার রাতে তারাকান্দা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে আদালতে জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়।
জানা যায়, গত ২১/১২/২০২৫ ইং নারী শিশু ভিকটিম নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হলে ২২/১২/২০২৫ ইং ভিকটিমের বাবা নাচোল থানায় নিখোঁজ জিডি করেন।
পরবর্তীতে নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ এর তত্তাবধানে এসআই জিয়াউর রহমান এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ৮ দিন পর মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে উদ্ধার করে কিশোরীকে তার বাবার জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ভিকটিমের মা নাচোল থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো আমরা নাচোল থানা পুলিশের এসআই জিয়াউর এর কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। তার কারণে আমার বুকের ধন আমার বুকে ফিরে পাইছি। তারা কোন প্রকার খরচ নেয়া ছাড়াই আমার মেয়েকে উদ্ধার করে দিয়েছে। আমি তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি। এসআই জিয়াউর রহমান বলেন, উক্ত নিখোঁজ জিডি পেয়ে তিনি সারাদেশের সকল থানায় নিখোঁজ বেতার বার্তা প্রেরণ করেন ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটমের অবস্থান নির্ণয় করেন এবং পরবর্তীতে অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলী স্যারের নির্দেশনায় ও তত্তাবধানে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানা পুলিশের সহায়তায় ভিকটিম কে উদ্ধার করে তার পিতার জিম্মায় প্রদান করি। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আছলাম আলী জানান, এসআই জিয়াউর রহমান নাচোল থানায় যোগদানের পর থেকেই একের এক ভিকটিম উদ্ধার করে চলেছেন। তিনি গত ৬ মাসে প্রায় ১০/১২ জন নিখোঁজ ভিকটিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি আরও জানান, নাচোল থানায় জিডি করতে বা ভিকটিম উদ্ধার করতে কোন খরচ লাগে না এবং নিখোঁজ ভিকটিম উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।


