মুরাদ খান মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আসন্ন কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী নূর হোসেন মুরাদ । দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই মানুষটি এবার সরাসরি জনপ্রতিনিধি হয়ে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
নূর হোসেন মুরাদ বলেন, তিনি রাজনীতি বা জনপ্রতিনিধিত্বকে কখনো ব্যক্তিগত লাভের মাধ্যম হিসেবে দেখেন না। বরং মানুষের সেবা করার মানসিকতা থেকেই তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে ব্যবসায় সফলতা দিয়েছেন এবং তিনি সেই অর্জনে সন্তুষ্ট। এখন তিনি নিজের অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান।
তিনি জানান, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হওয়ার অনেক আগ থেকেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে আসছেন। মসজিদ,মাদ্রাসা কবরস্থান মন্দির, শ্মশানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সহযোগিতা করেছেন। এছাড়াও ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন উৎসবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার মতে, একটি আধুনিক ও সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণ এবং ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব। তিনি ইউনিয়নকে একটি মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংমুক্ত নিরাপদ সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে তিনি ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলেন।
নূর হোসেন মুরাদ বলেন, “মাদক শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যুব সমাজকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে তিনি কাজ করবেন। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়দের মতে, নূর হোসেন মুরাদ একজন সহজ-সরল ও মানবিক মানুষ। সুখে-দুঃখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ তার নেতৃত্বে একটি আধুনিক, উন্নত ও বৈষম্যহীন কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের স্বপ্ন দেখছে।
সবশেষে জানান ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের মানুষ। আপনাদের সমর্থন পেলে ইনশাআল্লাহ একটি সুন্দর, আধুনিক ও মানবিক কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”


