পাবনা প্রতিনিধি :- পাবনা সুজানগর উপজেলা হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান বিএনপিতে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার গ্রামগঞ্জ, হাট বাজার চায়ের আড্ডায় নানান গুঞ্জনের কথা শোনা যাচ্ছে। ফিরোজ আহমেদ খান, ও তার পরিবার বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, তিনি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বগুড়া পল্লী বিদ্যুত অফিসের ঠিকাদারি ব্যবসা করে আসছিল। পট পরিবর্তনে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসায় আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন উপজেলা কৃষক লীগে যোগ দিয়ে হাটখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মনোনয়ন না পাওয়ায় তৎকালীন সাবেক এমপি ফিরোজ আহমেদ খান ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহিনের আশীর্বাদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্প্রীতি সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনে একমাত্র চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ খান সাবেক এমপি আহমেদ ফিরোজ কবির ও শাহিনুজ্জামান শাহিনের পক্ষে কাজ করে সমালোচনার ঊর্ধে থেকেছেন।
ফিরোজ আহমেদ খান ও তার নেতা কর্মী ক্ষমতার দাপটে এলাকায় চুরি ডাকাতি,মাদকসম্রাজ গড়ে তোলেন, তার মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় সমালোচনার ঝড় দেখা যায়।
ফিরোজ আহমেদ খান বিএনপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠো ফোনে গতকাল (শুক্রবার) রাতে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার বিষয় সত্যতা স্বীকার করেন এবং বলেন শুধু আমি না আমার সঙ্গে প্রায় শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি’র আদর্শে এ ধরনের লোককে দলে ভিড়ানো হলে বিএনপির আদর্শ নষ্ট হবে, বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব এমনিতেই আগামী ১২ তারিখের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।




