বিশেষ প্রতিনিধি, লাবলু বিশ্বাস
ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ৭ নং ওয়ার্ডের মরহুম সুরুজ দম্পতির কনিষ্ঠপুত্র বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সাগর ক্ষুধা লাগলে বাবা-মায়ের কবরের কাছে গিয়ে খাবারের জন্য কান্না করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংবাদটি প্রচার হলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। আজ মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী গণ আন্দোলনের মহানায়ক ও পাবনা জেলা বিএনপির সফল সুযোগ্য আহ্বায়কের মাধ্যমে সাগরের ভরণপোষণের দায়িত্ব তারেক জিয়া গ্রহন করেন।
হাবিব বলেন, আধুনিক যুগে একজন মানুষ পেটের ক্ষুধার জন্য মৃত বাবা-মায়ের কবরের পাশে গিয়ে কান্না করে খাবার চায় এটা মেনে নেওয়া যায় না। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সাগর ক্ষুধা লাগলে বাবা-মায়ের কবরের কাছে গিয়ে খাবারের জন্য কান্না করেন এমন সংবাদ আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। তিনি সাগরের আজীবন ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়ার জন্য আমাদের পাঠিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, সাগরের ফুফা মল্লিক চাঁদ তার দেখভাল করেন। তিনি পেশায় একজন চা বিক্রেতা। মল্লিক চাঁদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। তার পরেও সাগরকে তিনি দেখভাল করতেন। আজ আমরা স্থানীয় বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সাগরের ফুফার বাড়িতে যাই। সাগরের খোঁজখবর নেই এবং কুশল বিনিময় করি। সাগর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় আমরা তার ফুপার সাথে কথা বলি। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের দেয়া নির্দেশগুলো তাকে জানানো হয়। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাগরের আজীবন ভরণ পোষণ এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্য সচিব আজমল হক সুজন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, পাবনা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিমেল রানা, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রকি, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দিন স্বপন ও পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়নসহ বিএনপি, যুবদল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




