মোঃ মমিন আলী
বিশেষ প্রতিনিধি -এডিপি বাংলা।
নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম বিরুদ্ধে গর্ভবতী নারীকে মারধর ও শ্লীলতা হানীর অপরাধে কঠোর শাস্তি ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসি। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা চত্বরের সামনে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয়রা। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, পৌরসভার ময়লার একটি গাড়ি উপজেলার মঙ্গলকোঠা আবাসিক এলাকায় ময়লা ফেলার কারণে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসিদের বাকবিতন্ডার সৃষ্ঠি হয়। ঘটনা জানতে পেরে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহরিয়ার রহমান ও পৌর প্রকৌশলী আবদুর সালাম, ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে আবারও ঝামেলা তৈরী হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলাকাবাসিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এ ঘটনায় ওই এলাকার আবদুল কুদ্দুসের গর্ভবতী স্ত্রী মোসা. মিতু আক্তার (৩০) ও হবিবর রহমানের স্ত্রী মোসা. সামিরনকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসি।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী সামিরন জানান, উপজেলা প্রশাসনের লোকজন ময়লা ফেলাতে আসলে আমরা এলাকাবাসি আমাদের বসবাসে সমস্যার কথা ইউএনও কে জানায়। তবুও উনি আমাদের কথা না রেখে আমাকে সহ মিতুর পেটে লাথি ও আমাকে নিজেই লাঠি হাতে মারধর করেন। আমরা এলাকাবাসি ইউএনও‘র অপসরণসহ তার কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। মানববন্ধন শেষে উপজেলা চত্বরে এলাকাবাসিরা ইউএনও এর কঠোর শাস্তির দাবিতে অবস্থান করেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার রহমান জানান, পৌরসভার লোকজন ময়লা ফেলার জন্য গেলে এলাকাবাসিরা পৌরসভার লোকজন সহ আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। মারধরের সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা।
জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল আউয়াল, বলেন বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে নিশ্চয় একটি মিস আন্ডারস্ট্যান্ড হয়েছে আমার মনে হয়, যেই জড়িত থাক তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




