মোঃ মাসুদ ফারুক বাবলু বগুড়া।
ধুনট উপজেলার অন্তরগত এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈল মারি গ্রামের বাসিন্দা, বাদীনি
মোছা:লাল জান খাতুন (৪৬),স্বামী মৃত নাজমুল হোসেন। বগুড়া র ধুনট থানায় উপস্থিত হয়ে, গত ১০/০৭/২০২৪ইং তারিখের ধর্ষণেধ চেষ্টার ঘটনা নিজ মুখে বর্ননায়, সুস্থ সজ্ঞানে ধুনটে থানায় হুজির হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন বলে জানা যায় । উল্লেখ্য থানা এজাহারের বর্ননায় ০৪/০৭/২০২৪ইঃতারিখে দিবাগত রাতে রাতের খাবার খেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় রাত্রি আনুমানিক ০৯.০০ঘটিকার সময় মোছাঃ লালখান বেওয়া ছেলে লাম আলিফ(১৩)কে নিয়ে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের গভীরে ,০৫/০৭/২০২৪ইঃ আনুমানিক ২.০০ঘটিকার সময় আসামি ১।মো:ইনসান আলী (ইঞ্চি) (৫৫),পিতা মৃত মোজাম্মেল হক মন্ডল, সাং বিলনোতার,ইউনিয়ন :খামার কান্দী থানা:শেরপুর, জেলা :বগুড়া। চুপিসারে একাকী বাদীনির পূর্ব দুয়ারী ঘরের দরজার রশি কেটে ঘরে প্রবেশ করে আসামি বাদীনির
ইচ্ছার বিরুদ্ধে হাত মুখ চেপে ধরে শ্লীলতাহানি সহ জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। আসামির সাথে বাদীনির ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে পাশে ঘুৃমিয়ে থাকা ছেলের ঘুম ভেঙে যায়। তখন, ছেলে সহ বাদীনি বাঁচাও বাঁচাও বলে ডাক চিৎকার করতে থাকলে আশেপাশে বাড়ির লোকজন ছুটে আসামাত্রই কৌশলেএ আসামি মোঃ ইনসান আলী (ইন্চি) ঘটনাস্হান ত্যাগ করেন। ঘটনার সময় স্বাক্ষি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ১।মো:রবিউল ইসলাম (৩৬),পিতা মৃত অলি মন্ডল ২।মোছা :হাউসি খাতুন (৩০),স্বামী :মো:রবিউল ইসলাম ৩।মোছা :খুকি বেওয়া (৬৫),স্বামী :মৃত আফজাল হোসেন আকন্দ, সকলের সাং শৈলমারি, পশ্চিম পাড়া, ইউনিয়ন :এলাঙ্গী,থানা:ধুনট, জেলা :বগুড়া।
আসামি কৌশলে পালিয়ে গেলে, আত্মীয় স্বজনদের সাথে পরামর্শ করে নিজে থানায় এসে এজাহার দায়ের করতে একটু বিলম্ব হয় বলে জানা যায়। এ বিষয়ে ধুনটে থানার ওসি সৈকত হাসান বলেন, থানায় মামলা নেয়ার গর এসে আই সাখয়াত হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয়, ইতিমধ্যে আসামি গ্রেফতার করে বগুড়া জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।




