নিহতরা হলেন কুড়িকাহনিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে হৃদয় (১৯) ও তারা মিয়ার ছেলে ফয়সাল মিয়া (১৭)। আহত মাসতৌহিদ মিয়া (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, দুপুরে হৃদয়, ফয়সাল ও তএকটি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ার জন্য যাচ্ছিলেন তারা। ভারেরা তিন রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক আসা অটোরিকশার সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেলের আরোহী তিনজন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে দুজনকে শ্রীবরদী ও একজনকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক হৃদয় ও ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।
শ্রীবরদী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) অমিও জ্যোতি বলেন, দুজনের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আরেকজনকে শেরপুর জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কুড়িকাহনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ খান নুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত হৃদয় এবার এসএসসি পাস করেছে আর ফয়সাল দশম শ্রেণির ছাত্র। আহত তৌহিদ মাদরাসা থেকে হাফেজি শেষ করেছে।




