স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়া র্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায় যে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে লালমনিরহাট হতে ঢাকাগামী মাইক্রোবাস যোগে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল বহন করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ই এপ্রিল-২৪ তারিখ ২৩:৫০ ঘটিকায় র্যাব-১২ বগুড়ার একটি আভিযানিক দল বগুড়া জেলার শাজাহানপুর বেতগাড়ী পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে আসামী শফিকুল ইসলাম (১৯),পিতা-গফুর আলী মৌজাশাঘাতি গ্রামের শান্ত (২৭),পিতা-মনির হোসেন,গ্রামের কোটমারী,জামিরুল ইসলাম (৩২),পিতা-মৃত তাহের আলী,কাশিরাম গ্রামের মহুবর রহমান (২৭),পিতা-মকছেদুর রহমান তালুকশাঘাতি গ্রামের শ্রী শ্যামল চন্দ্র রায় (৩২),পিতা-মৃত শান্তারাম চামটারবাস গ্রামের উভয় থানা-কালিগঞ্জ,জেলা- লালমনিরহাটগণকে তাদের চালিত দুইটি মাইক্রোতে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত ১৯৩ বোতল ফেন্সিডিল,৮টি মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য যে,ধৃত আসামীগণ দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা অত্যন্ত চতুর হওয়ায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল। আসামীগণ মাদক পরিবহনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে মাদকদ্রব্য গন্তব্যস্থলে নিরাপদ ভাবে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে মাদক বহনকারী গাড়ীর সামনে এস্কট হিসেবে আরো একটি গাড়ি ব্যবহার করে। এস্কর্ট হিসেবে ব্যবহৃত সামনের গাড়িটি রাস্তায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন টহল/চেকপোষ্ট আছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে পিছনের মালবহনকারী গাড়িকে সতর্ক করতো। সামনের এস্কর্টের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তারা নিরাপদ রুট নির্বাচন করে মাদক পরিবহন করতো। ধৃত আসামী জামিরুল ইসলামের নামে একটি মাদক মামলা ও মহুবুবুর রহমানের নামে একটি মারামারি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে মর্মে জানা যায়। এবিষয়ে র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানায়,গ্রেফতারকৃত আসামীগনের বিরুদ্ধে আইনগত বিধি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।




