স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়া সোনাতলা উপজেলার পৌর এলাকার পুরাতন বন্দর এর মৃত আনসার আলীর ছেলে সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক ও তার সহযোগীর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উক্ত হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত রাতে সোনাতলা থানায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। ভুক্তভোগী বাদী ডেইলী বাংলাদেশ ও জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত আছে। উক্ত মামলায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ ডিসেম্বর সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম নান্নুকে সোনাতলা থানায় দেখতে তার শুভাকাঙ্খী-জনতা ভিড় করে থানা মসজিদের সামনে রাস্তার উপর এসময় তাদের ছবি তোলার জন্য তার সহকর্মী সবুজ পকেট থেকে বের করে মোবাইল হাতে নেয়। এমন সময় জনতাদের মধ্যে একজন ছবি তুলতে নিষেধ করে। এসময় সোনাতলা সিংগার শো রুমের ম্যানেজার সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম শাহীন ছুটে এসে ধমক দিয়ে বলে এখানে কি হয়েছে। সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক বলে তার সহকর্মী সবুজ ছবি তোলার জন্য মোবাইলের ক্যামেরা বাহির করেছে তাই। তখন তিনি ধমক দিয়ে বলেন এখানে কোন ছবি তোলা যাবে না। তখন সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক ও সবুজকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় সকল আসামিরা বেআইনী ভাবে দলবদ্ধ হয়ে এগিয়ে এসে রাস্তা আটকে আসামিরা বলে তুই নিউজ করছিস বলে পিছন থেকে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। আসামিরা সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাককে মারপিট করে মাটিতে ফেলে তার ব্যবহৃত ফোন ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় জনসাধারণরা আসামিদের হাত থেকে রাজ্জাক ও সবুজকে মারপিটের হাত থেকে রক্ষা করে। এসময় আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিকে মামলার বাদী আব্দুর রাজ্জাক জানায়, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের মারধরের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে। এখনো মোবাইল ফোন ফেরত দেয়নি। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এবিষয়ে সোনাতলা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিলাদুন্নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানায় যে, এবিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত বিধি-ব্যবস্থা হবে। আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছে বলে জানান তিনি।


