স্টাফ রিপোর্টারঃ
বগুড়া র্যাব-১২ গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায় যে,গত ১লা মে বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী সন্ধ্যা একই গ্রামে তার চাচার বাড়িতে যায়। পথিমধ্যে ধৃত আসামী মুন্না (১৯) বাড়ির সামনে ভিকটিম পৌঁছলে ভিকটিমকে রান্না দেখানোর ছলে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। আসামীর বাড়িতে কোন লোকজন না থাকায় ভিকটিম সেখান হতে চলে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু ধৃত আসামী তাকে যেতে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে আসামী ভিকটিমকে সুকৌশলে তার বসতবাড়ীর শয়ন ঘরে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় স্থানীয় ভাবে কয়েক বার সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু বিষয়টি স্থানীয় ভাবে সুরাহা না হওয়ায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গত ১৩ই মে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। যার প্রেক্ষিতে সদর থানায় গত ১৩ই মে-২৪ তারিখে ৩৮ নাম্বার একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করে। তারপর থেকেই র্যাব-১২ আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরইসূত্র ধরে গত ২১শে মে র্যাব-১২ বগুড়ার একটি আভিযানিক চৌকস টহল দল শেরপুর উপজেলার শেরপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা রাজাপুর গ্রামের আব্দুল মমিনের ছেলে ধর্ষক মুন্না (১৯) কে গ্রেফতার করে। ধৃত আসামী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিদেশে পাড়ি জমানোর জন্য ঢাকায় থেকে পাসপোর্ট,মেডিকেল সম্পন্ন করে গোপনে বগুড়া ফেরত এসে ছিল। এবিষয়ে র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং জানায়,গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনগত বিধি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


