
সুলতানা পারভিন মিষ্টি উপজেলা প্রতিনিধি।
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানায় সাড়া গোপালপুর স্কুলের সামনে গত ২ এপ্রিল আনুমানিক রাত ১০ টাই ইমান আলীর বড় ছেলে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদল নেতা ও জিয়া সাইবার কোর্স এর উপজেলা কমিটির সদস্য সচিব ইমরান হোসেন সোহাগকে একদল সন্ত্রাসী ও দূর্বিত্ররা গুলিবিদ্ধ ও কুপিয়ে হত্যা করেছে।
আনুমানিক ধারণা অনুপাতে এবং এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী জানা যায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব ও আওয়ামী লীগ নেতা মিলনের ষড়যন্ত্রে এই হত্যা।
বিএনপি নেতার এই হত্যাকে কেন্দ্র করে ৩ এপ্রিল বিকেল ৫ টাই ঈশ্বরদী বাস টার্মিনাল থেকে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়ে মূল সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোজা বাজার গেইটে গিয়ে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাধারণ জনগণের সাথে অন্যান নেতা এবং নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুরো বিএনপি'র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম হোসেন জুয়েল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন জুয়েল, বারবার প্যানেল মেয়র আনোয়ার হোসেন জনি , ফুল জুয়েল, সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা ও নেতৃবৃন্দ সহ মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ সুলতানা পারভিন মিষ্টি, মৌসুমী আক্তার, স্মৃতি, মিরা সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন
বারবার প্যানেল মেয়র আনোয়ার হোসেন জনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে আজকের ঈশ্বরদীতে রাজনীতির ভয়াবহ অবস্থা লাশের বন্যা বয়ে যাচ্ছে আমরা এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।