ঢাকাMonday , 2 March 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. নগর জীবন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফ্যাশন
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন: চাচা শরীফ গ্রেপ্তার

    admin
    March 2, 2026 11:40 pm
    Link Copied!

    বিশেষ প্রতিনিধি : লাবলু বিশ্বাস

    ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম শরীফ (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে নিহত কিশোরী জামিলা আক্তারের চাচা।

    ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শরীফ স্বীকার করেছে, পূর্বের যৌন হয়রানির চেষ্টায় বাধা ও অপমানের ক্ষোভ থেকেই সে সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তারকে (১৫) হত্যা করে। গ্রেপ্তার শরীফ ও নিহতরা উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জামিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, জামিলার বাবা জয়নাল খাঁ কাজের তাগিদে প্রায়ই ঢাকার সাভারে অবস্থান করতেন। জামিলা তার দাদি সুফিয়া খাতুনের সঙ্গেই গ্রামে বসবাস করতো। ঘটনার সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য উপস্থিত ছিলেন না।

    ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে শরীফ বাজার পৌঁছে দেওয়ার অজুহাতে জামিলাদের বাড়িতে যায়। সে সময় সুফিয়া খাতুন বাড়িতে না থাকার সুযোগে জামিলাকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে। এতে কিশোরী প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে চড় মারলে শরীফ অপমানিত হয়ে ফিরে যায়।

    এর কয়েকদিন পর, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে শরীফ পুনরায় বাড়িতে গিয়ে পূর্বের ঘটনার জন্য ক্ষমা চায়। কিন্তু সুফিয়া খাতুন তাকে ক্ষমা না করে চিৎকার শুরু করলে শরীফ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে পাশে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে সুফিয়া খাতুনের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে জামিলা চিৎকার করতে থাকেন।

    পরে শরীফ একটি হাতুড়ি দিয়ে জামিলার মাথা ও কপালে আঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির পাশের সরিষাক্ষেতে নিয়ে যায়। মাঝপথে পুকুরপাড়ে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর বাঁশের গোড়ালি দিয়ে মাথায় আঘাত এবং গলা টিপে হত্যা নিশ্চিত করে লাশ সরিষাক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত লাশ ও পরে সরিষাক্ষেতে জামিলার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও জেলা ডিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান ও ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার আশঙ্কা প্রকাশ করেন, কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

    পাবনা জেলা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। স্থানীয় তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাত ১০টার দিকে সন্দেহভাজন শরীফুল ইসলামকে আটক করা হয়। ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করে এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।

    রোববার দুপুরে আটক শরীফকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিবি সদস্যরা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও বাঁশের গোড়ালি পুকুর থেকে উদ্ধার করেন।

    দাদি-নাতনির এ নৃশংস জোড়া খুনের ঘটনায় ঈশ্বরদীসহ সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।জরুরী প্রয়োজনে আমাদের হেল্পলাইন নাম্বারে কল করুন-01912.473991 অথবা আমাদের জিমেইলে পাঠান-amardeshpbd@gmail.com

    Design & Developed by BD IT HOST