ঢাকাTuesday , 11 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. নগর জীবন
  13. প্রবাসের খবর
  14. ফ্যাশন
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • অর্থ সাশ্রয় ও সততার দৃষ্টান্ত: নিয়ামতপুরে খাল খনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফেরত ৯.৮৩ লাখ টাকা

    admin
    August 11, 2026 12:07 pm
    Link Copied!

    এম,এ,মান্নান,স্টাফ রিপোর্টার,নিয়ামতপুর (নওগাঁ)

    সরকারি অর্থ জনগণের আমানত—কথাটি বাস্তবে প্রমাণ করে দেখালেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন। উপজেলার একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের বরাদ্দকৃত বাজেট থেকে কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করার পর অব্যয়িত ৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি। সরকারি কাজে এ ধরনের স্বচ্ছতা, নিখুঁত পরিকল্পনা ও আর্থিক সাশ্রয়ের ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।উপজেলার দীর্ঘদিনের পানি নিষ্কাশন সমস্যা দূর করতে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়াতে একটি প্রকল্প হাতে নেয় উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পের আওতায় চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর রেজাউলের জমি থেকে সন্তোষপাড়া ছাতড়া বিল পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়।প্রকল্পের মোট বরাদ্দ: ৬৪ লাখ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা।সাশ্রয় ও অফিশিয়াল ফেরত,৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬২ টাকা।পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার পর দেখা যায়, নির্ধারিত বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্বৃত্ত রয়েছে। পরবর্তীতে আইন ও সরকারি নিয়মকানুন অনুসরণ করে পুরো উদ্বৃত্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় তহবিলে জমা দেওয়া হয়।খালটি পুনঃখননের ফলে ওই অঞ্চলের সার্বিক কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক।বর্ষাকালে দ্রুত অতিরিক্ত পানি নেমে যাবে, ফলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা দূর হবে।শুষ্ক মৌসুমে কৃষিজমিতে সেচ দেওয়া সহজ হবে জলাবদ্ধতা ও সেচসংকট দূর হওয়ায় স্থানীয়ভাবে ফসল উৎপাদন আগের চেয়ে বৃদ্ধি পাবে।সাধারণত সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত বাজেটের আবেদনের ঘটনা ঘটলেও, কাজ শেষে টাকা ফেরত দেওয়ার এ ঘটনা এলাকা জুড়ে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।”প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যয় হলে জনগণের যেমন উপকার হয়, তেমনি দেশের রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ করাও সম্ভব হয়।” মইনুল ইসলাম, প্যানেল চেয়ারম্যান, চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদ।স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, এ ধরনের দায়িত্বশীল প্রশাসনিক আচরণ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়।ঘটনাটি নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন,সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেটের মধ্যেই সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাজে সঠিক ব্যবহারের পর অব্যয়িত অংশ রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।”সংশ্লিষ্টদের মতে, খাল পুনঃখননের এই প্রকল্পটি শুধু স্থানীয় কৃষি ও জলবায়ু ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে না, বরং সারা দেশের সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক সাশ্রয় ও জবাবদিহিতার একটি উজ্জ্বল মডেল হিসেবে কাজ করবে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।জরুরী প্রয়োজনে আমাদের হেল্পলাইন নাম্বারে কল করুন-01912.473991 অথবা আমাদের জিমেইলে পাঠান-amardeshpbd@gmail.com

    Design & Developed by BD IT HOST